চিনের জিংজিয়ানে মুসলমানদের কনভেনশনালভাবে ইথনিক ক্লিনসিং করা হচ্ছে না।চিন মুসলমানদের জেনারেশন ভিত্তিকভাবে পৃথকীকরন করেছে।যেমন বয়স্কদের একটি জোনে রাখা হয়েছে এবং শিশুদের আরেকটি জোনে রাখা হয়েছে।শিশুরা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠছে।তাদের উপর কোন দমন পীড়ন করা হচ্ছে না।তাদের চিন নিজ দায়িত্বে কোরান শিক্ষা দেয়।তবে সেই কোরান অরিজিনাল কোরান থেকে কিছুটা আলাদা।যেমন সেই কুরানে লেখা রয়েছে জিহাদ আল্লাহর জন্য করতে হবে না বরং চিনা কমিউনিস্ট পার্টির জন্য করতে হবে।সেই কোরানে আল্লাহ এবং প্রফেটের পর চেয়ারম্যান মাও এর অবস্থান।
চিনের ইসলামে ইমাম মাহাদী মধ্যপ্রাচ্যে আসবেন না বরং চিনে আসবেন।তিনি হবেন চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা যার নেতৃত্বে সারাপৃথিবীতে চিনের শাসন হবে।
অন্যদিকে বয়স্কদের অন্য জোনে রাখা হয়েছে যেন সীমিত পরিমাণ সন্তান জন্ম দিতে পারে বা সন্তান জন্ম হলে অন্য জোনে নিয়ে যাওয়া হয় যেন তাদের চিনা ইসলামে দীক্ষিত করা যায়।মূল উদ্দেশ্য উইঘুর মুসলমানদের নতুন চিনা ইসলামে দীক্ষিতদের রাখা এবং বাকিদের বিলুপ্ত করে দেওয়া।তাই অধিকাংশ মুসলমান দেশের দৃষ্টিতে চিনা ইসলাম একটি রিফর্ম ইসলাম।তাদের দৃষ্টিতে চিনা কোরান অনেকটা বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্টের মত।তাই তারা চুপ।
এছাড়া চিন স্বৈ'র'ত'ন্ত্রী দেশ।তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে কোন কাজ হবে না বরং চিন সেই দেশগুলোতে ইনভেস্ট করবে না।এজন্য তারা চুপ।

Post a Comment